তারিখ : ২২ আগস্ট ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় বেড়েছে চালের দাম,নাভিশ্বাসে সাধারণ মানুষ

নওগাঁয় বেড়েছে চালের দাম,নাভিশ্বাসে সাধারণ মানুষ
[ভালুকা ডট কম : ১২ জুন]
দেশের উত্তরবঙ্গের খাদ্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত নওগাঁ জেলা। দেশের সিংহ ভাগ চাল উৎপাদন হয় নওগাঁয়। দেশ এবং বিদেশে নওগাঁর চালের সুনাম এখনো বর্তমান। কিন্তু চলতি বছরে প্রস্তাবিত বাজেটে চাল আমদানীর উপর শুল্ক বৃদ্ধির কারণে নওগাঁর বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে এলসি ও দেশি চালের দাম। এতে করে নাভিশ্বাসে পড়েছে খেটে-খাওয়া সাধারন মানুষরা।

সূত্রে জানা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পাশ হওয়ার আগেই প্রস্তাবিত বাজেটের শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাবে উত্তরাঞ্চলের বড় পাইকারী মোকাম নওগাঁর চালের বাজারে দাম চড়তে শুরু করেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ভারতের এলসি চালের দাম কেজি প্রতি ৩-৪টাকা এবং দেশি সকল প্রকারের চালে কেজি প্রতি ১-২ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে চাল আমদানীতে শুল্ক রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়েছে ফলে সকল প্রকার চাল আমদানীতে শুল্ক ২৫শতাংশ ও সম্পূরক শুল্ক ৩শতাংশ প্রযোজ্য হবে ফলে আমদানীকৃত চালের চালের দাম বাড়বে এমন ঘোষনার পর থেকে নওগাঁর চালের বাজারে বাড়তে শুরু করেছে সকল ধরনের চালের মূল্য। এতে করে দফায় দফায় চালের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারণে নাভিশ্বাসে পড়েছে খেটে-খাওয়া সাধরন মানুষরা। অপরদিকে চাল ব্যবসায়ী ও মিলাররা বলছেন অন্য কথা। তারা বলছেন বড় বড় মিলার ও ধার-চাল ব্যবসায়ীদের আরো বড়লোক করে দেওয়ার জন্যই সরকার বাজেটে এমন প্রস্তাবনা করছেন। কারণ এখন কৃষকদের হাতে তেমন কোন ধান নেই শুধুমাত্র ধান রয়েছে মিলার ও মজুদদাতাদের হাতে। দাম বাড়লেই তারা চাল বাজারে ছাড়বে অধিক মুনাফার আশায়। কিন্তু মরছে সাধারন খেটে-খাওয়া মানুষরা।

বাজারে চাল কিনতে আসা কলিম সরদার, রফিকুল ইসলামসহ আরো অনেকেই বলেন, হঠাৎ করে আবার চালের মূল্য বৃদ্ধি হওয়ার কারনে আমরা সাধারন মানুষরা ব্যাপক সমস্যায় পড়েছি। এভাবে চালে দাম দফায় দফায় বাড়তে থাকলে তাহলে আমরা কোথায় যাবো। আমাদের দিকে কেউ তাকায় না। আমাদের আয়ের কথা কেউ কখনো ভাবে না। তাই আমরা চাই চালের দাম আমাদের হাতের নাগালে থাকুক যেন আমরা দু’বেলা দু’মুঠো খেতে পারি।

নওগাঁ পৌর চাল বাজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ী মো: আশরাফ আলী, হোসেন সরদারসহ আরো অনেকেই বলেন আমাদের চাল বাজারের বড় একটি অংশ জুড়ে আছে আমদানী করা ভারতের এলসি চাল।এই চালের দাম কম হওয়ায় নিম্মবিত্ত এমন কি মধ্যবিত্ত সমাজের অনেক লোকই এই চাল কিনে খান। বাজেটের কারণে এলসি চালসহ দেশি সকল প্রকারের চালের দাম বেড়েছে। এতে করে ক্রেতারা চাল কিনতে এসে হিমশিম খাচ্ছেন। যার কারণে আমরাও ক্রেতা খুজে পাচ্ছি না। আর অধিক লাভবান হচ্ছেন বড় বড় মজুদদার ও মিলাররা।

নওগাঁর ফারিহা রাইছ মিলের মালিক ও চাল ব্যবসায়ী শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন চালের উপর সরকারের এই শুল্ক বাড়ানো যুক্তিসঙ্গত নয়। কারণ বর্তমান সময়ে কৃষকদের কাছে কোন ধান নেই। আর এই শুল্ক বৃদ্ধির কারণে মিলার ও ব্যবসায়ীরা এখন আর চাল বিক্রয় করবে না। যার কারণে খুচরা চাল বাজারে চালের দামের এই অস্থিরতা বিরাজ করছে। যার মাসুল দিতে হবে সাধারন মানুষদের। #






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই