তারিখ : ১৮ অক্টোবর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁ সদর আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক,বিএনপি’র হাফ ডজন

নওগাঁ সদর আসনে আওয়ামী লীগের একাধিক,বিএনপি’র হাফ ডজন মনোনয়ন প্রত্যাশী
[ভালুকা ডট কম : ১৬ সেপ্টেম্বর]
নওগাঁ জেলায় প্রবেশের মুখেই নওগাঁ সদর। এরশাদ সরকারের শাসনামলে ১৯৮৪ সালে মহকুমা শহর থেকে জেলায় উন্নীত হয় নওগাঁ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে নওগাঁ জেলা সদরের পরিধি। জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নওগাঁ সদর-৫ আসন। জাতীয় সংসদের নির্বাচনী আসন নং- ৫০।

১২টি ইউনিয়ন পরিষদ এবং ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত নওগাঁ সদর উপজেলা তথা নওগাঁ সদর-৫ আসন। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৩ হাজার ৯৪৭ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৫৭ হাজার ৩২০ জন এবং মহিলা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬২৭ জন। পৌর এলাকার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৮০২ জন। এর মধ্যে ৫৬ হাজার ২৪৬ জন পুরুষ এবং ৬৫ হাজার ৫৫৬ জন মহিলা ভোটার।

বিএনপি’র ঘাঁটি বলে খ্যাত নওগাঁয় নওগাঁ সদর আসনসহ তাদের ধ্বস নামে ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে। ওই নির্বাচনে জেলার ৬টি আসনেই জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে নওগাঁ-৪ (মান্দা) বাদে অপর ৫টি আসনে নির্বচিত হন বিএনপি’র প্রার্থী। ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির এরশাদ সরকারের আমলে নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে ওই নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ওহিদুর রহমান এবং নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হুমায়ন কবির চৌধুরী নির্বাচিত হন। অপর ৪টি আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। একই সরকারের আমলে ১৯৮৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ-বিএনপি উভয় দলই অংশ না নিলে জেলার ৬টি আসনেই এক রকম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন জাতীয় পার্টির প্রার্থী। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনের মধ্যে নওগাঁ-১ (পোরশা-সাপাহার-নিয়ামতপুর) আসনে এবং নওগাঁ-২ (পত্নীতলা-ধামইরহাট) আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। নওগাঁ-৩ (বদলগাছী-মহাদেবপুর) , নওগাঁ-৫ (সদর) এবং নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) ৩টি আসনে বিএনপি এবং নওগাঁ-৪ (মান্দা) অসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ৬টি আসনেই জয়লাভ করে বিএনপি’র প্রার্থীগন। ২০০১ সালের নির্বাচনে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে নির্বাচিত হন বর্ষীয়ান নেতা মোঃ আব্দুল জলিল। অপর ৫টি আসনেই নির্বাচিত হন বিএনপি’র প্রার্থীগন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো শস্যভান্ডার খ্যাত নওগাঁর ভোটার ও সাধারন মানুষের মাঝে চলছে ভোটের হিসাব নিকাশ।  কে হচ্ছেন কোন্ দলের প্রার্থী তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক সচেতন মহলে। ওই নির্বাচনকে ঘিরে এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও বিএনপি থেকে হাফ ডজনেরও বেশি প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাশী।

২০১৩ সালের মার্চে নওগাঁর বর্ষীয়ান নেতা সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী আব্দুল জলিল এমপি’র মৃত্যুর পর নওগাঁয় দলের হাল ধরেন দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মালেক। উপ-নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম রফিকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। আব্দুল মালেক বর্তমানে সদর আসনের এমপি ছাড়াও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি। কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগে তার অবস্থান সুদৃঢ়। কাজেই তিনি আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একথা নিশ্চিত। অপর দিকে  আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুন, রাজনীতিতে নবীন ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন দল থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে তিনি জানান। এছাড়াও এই নির্বাচনে জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি পর পর দু’বার পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আব্দুল মালেকের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করে পরাজিত হন।

অপর দিকে সদর আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আব্দুল জলিলের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করে হেরে যাওয়া বিএনপি’র প্রার্থী বর্তমান কেন্দ্রিয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান, জেলা বিএনপি’র সভাপতি পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন,  জেলা বিএনপি’র সহ সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি।

এছাড়া জাতীয় পার্টি থেকে নওগাঁ জেলা জাপা’র সাধারণ সম্পাদক ইফতারুল ইসলাম বকুল প্রার্থী হচ্ছেন বলে কেন্দ্রিয় জাপার যুগ্ন মহাসচিব ও জেলা জাপা’র সভাপতি এড. তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন।

আওয়ামীলীগ ঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মালেক বর্তমানে সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি। কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগে তাঁর অবস্থান সুদৃঢ়। কাজেই তিনি আগামী নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী একথা এখন নিশ্চিত। অপর দিকে  আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুন, রাজনীতিতে নবীন ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী। =এই নির্বাচনে জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি পর পর দু’বার পৌরসভা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবং সংসদ সদস্য পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বর্তমান নওগাঁ-০৫ আসনের সংসদ সদস্য  মোঃ আব্দুল মালেক নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের দীর্ঘদিনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি তাঁর জীবনের রাজনীতির শুরু থেকেই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। দলের সুসময় ও দু:সময় তিনি সবসময় কাছেই ছিলেন। সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী মোঃ আব্দুল জলিলের মৃত্যুর পর তাঁর মোঃ আব্দুল মালেক নওগাঁয় দলের হাল ধরেন। উপ-নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি জেলা যুব লীগের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন।

এদিকে মরহুম আব্দুল জলিলের ছেলে বয়সে তরুন, রাজনীতিতে নবীন নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিষ্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন নওগাঁর রাজনীতিতে নতুন মুখ। কিন্তু তাঁর বাবা আব্দুল জলিলের পরিচিতি অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কর্মকান্ডই তাঁর মুল ভরসা। এছাড়াও রয়েছেন সাবেক এমপি শাহিন মনোয়ারা হক ও নওগাঁ পৌর আ’লীগের সভাপতি দেওয়ান শেকার আহমেদ শিষাণের নাম বেশ ভালো ভাবেই শোনা যাচ্ছে।

দেওয়ান শেকার আহমেদ শিষাণ দীর্ঘদিন যাবত নওগাঁ পৌর আ’লীগের হাল ধরে আছেন। তিনি মরহুম আব্দুল জলিলের খুব কাছের একজন ছিলেন। বর্তমান এমপি’র নানা খামখেয়ালীপনা কাজের জন্য নওগাঁ সদর আ’লীগের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হয়েছে। আর এই বিভক্তই আগামী নির্বাচনে আ’লীগের কাল হয়ে দাঁড়াবে বলে অনেকে মনে করছেন। শিষাণ দিনরাত তার নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তিনি নতুন করে আ’লীগকে সুসজ্জ্বিত করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

বিএনপিঃ
বর্তমান কেন্দ্রিয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান, জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও পৌর মেয়র নজমুল হক সনি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু,  সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি আসন্ন একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রত্যাশী।

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থিরা জন সংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এদিকে জেলা বিএনপি’র আভ্যন্তরে নেতা কর্মীদের মাঝে রয়েছে চরম কোন্দল। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গ্রুপিংটা অনেকটাই দৃশ্যমান। জেলায় এখন পর্যন্ত পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি। কেন্দ্রের করে দেয়া ৩০ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি এখনো র্পূনাঙ্গ কমিটিতে রুপান্তরিত হতে পারেনি।

নওগাঁ জেলা বিএনপি’র সভাপতি ও নওগাঁ পৌর সভার মেয়র নজমুল হক সনি পর পর দুইবার পৌর সভার নির্বাচিত মেয়র। এর আগে তিনি নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ছিলেন। নওগাঁ বিএনপি তথা সাধারন ভোটারদের মধ্যে তাঁর বেশ পরিচিতি রয়েছে। নজমুল হক সনির অনুসারীদের আশা এসব বিষয় বিবেচনা করবে দলীয় হাইকমান্ড। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৫ আসনের জন্য বিএনপি থেকে নজমুল হক সনিকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে।

জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু পর পর দুই বার নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক। এর আগে তিনি নওগাঁ যুবদলের সভাপতি ছিলেন। সাংগঠনিক কর্মকান্ডে তাঁর বেশ সুনাম রয়েছে। ধলু সংসদ নির্বাচন করবেন বলে দীর্ঘদিন থেকে তিনি সার্বক্ষনিক দলীয় কাজের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক একাধিক সংগঠনের সাথে জড়িত এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরবিচ্ছিন্ন গন সংযোগ করে যাচ্ছেন। জাহিদুল ইসলাম ধলুর মনোনয়নের বিষয়ে কেন্দ্র থেকে চেয়ার পার্সনের সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে বলে তাঁর সমর্থকরা জানান।

নওগাঁ জেলা বিএনপির পর পর দুইবার সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন। এ আগে তিনি নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতির সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। নওগাঁয় যুব সমাজে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। রাজনৈতিক কর্মকান্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতি কর্মকান্ডের সাথে অতপ্রত ভাবে জড়িত। দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে বিজয়ের ব্যাপারে খুব আশাবাদী মামুনুর রহমান রিপনের সমর্থকরা।

এদের মধ্যে গত ২০০৮ সালের নির্বাচনে নওগাঁ সদর -০৫ আসনে আওয়ামী লীগের আব্দুল জলিলের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করে হেরে যাওয়া বিএনপি’র প্রার্থী বর্তমান কেন্দ্রিয় বিএনপি’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য লেঃ কর্নেল (অবঃ) আব্দুল লতিফ খান মাঠেই আছেন।

জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের জেলা আহবায়ক এবং বিএনপি’র সংরক্ষিত মহিলা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রায়হান আক্তার রনি মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন।

জাতীয় পার্টিঃ
জাতীয় পার্টি থেকে নওগাঁ জেলা জাপা’র সাধারণ সম্পাদক ইফতারুল ইসলাম বকুল প্রার্থী হচ্ছেন বলে কেন্দ্রিয় জাপার যুগ্ন মহাসচিব ও জেলা জাপা’র সভাপতি এড. তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন।

তবে নওগাঁ-৫ আসনে ভোটের লড়াই হবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে। নওগাঁ জেলা শহরের বেশ কিছু স্থানীয় সমস্যা রয়েছে, যেমন যোগাযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অপ্রতুলতা, গ্যাস সরবরাহ না থাকা , এখানে কোন মেডিক্যাল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় নেই, উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন ও চাল উৎপাদনে শীর্ষে থাকা জেলা হওয়া সত্ত্বেও এখানে গড়ে উঠেনি কোন বড় কারখানা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদানে ক্ষেত্রে ভোটাররা এই বিষয়গুলোকেই বেশি প্রাধান্য দিবেন বলে অভিজ্ঞ মহলের ধারনা। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নির্বাচন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই