তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ফলাফলে সংশোধনী আনতে সংবাদ সম্মেলন

ফলাফলে সংশোধনী আনতে সংবাদ সম্মেলন
[ভালুকা ডট কম : ০৫ এপ্রিল]
নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার পলাশবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান পিএসসি’র ফলাফলে সবকটি বিষয়ে এ-প্লাস পেলেও ট্যালেন্টপুলের বৃত্তির তালিকায় নাম নেই তার। তাকে ছাড়াই করা হয়েছে বৃত্তির তালিকা। পুনরায় সংশোধনী ফলাফল প্রকাশ ও ইসরাতকে বৃত্তির আওতায় আনতে লিখিত আবেদন করেছেন তার অভিভাবক।

ইসরাতের মা সুলতানা রাজিয়া জানান, পলাশবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে, সমাপনী পরীক্ষা দেয় ইসরাত জাহান। ৬ টির প্রতিটি বিষয়ে ১০০ মার্কের পরীক্ষায় ২ টিতে ৯৯ আর ৯৮ করে পেয়েছে ৪ টিতে। বাংলায় ৯৯, ইংরেজীতে ৯৮, অংকে ৯৯, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ে ৯৮, প্রাথমিক বিজ্ঞানে ৯৮ ও ধর্ম বিষয়ে পেয়েছে ৯৮ পেয়েছে। এছাড়া উপজেলায় সবচেয়ে বেশী নম্বর পেয়েছে ইসরাত। অথচ ট্যালেন্টপুলের বৃত্তির তালিকায় তার নাম নেই। তালিকা প্রকাশের পর হতবাক হয়ে পরেছেন তারা।

তিনি জানান, ইসরাতের চেয়ে কম নম্বর পেয়েও ট্যালেন্টপুল বৃত্তির তালিতায় নাম  এসেছে অনেকের। তাই ফলাফলে সংশোধনী আনতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। একই সাথে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন। কিন্তু ফলাফলে সংশোধনী আনতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তারা গরিমসি করছেন। এ অবস্থায় শিশু শিক্ষার্থী ইসরাত পড়া লেখায় মনযোগী হতে পারছে না বলে অভিযোগ করেন মা রাজিয়া সুলতানা।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পলাশবাড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজিনা ইয়াসমিন জানান, সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ইসরাত জাহান স্কুল পর্যায়ে, ক্লাষ্টার পর্যায়ে এমনকি উপজেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। কিন্তু ট্যালেন্টপুলের বৃত্তির আওতায় না আসায় সবার মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ধামইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু ইউসুফ মো: বদিউজ্জামান জানান, অবিলম্বে মেধাবী শিক্ষার্থী ইসরাতকে বৃত্তির আওতায় আনা দরকার। তা না হলে কোমলমতি শিশুর মনবল ভেঙ্গে পড়বে।

ধামইরহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা জানান, পরীক্ষা গ্রহন ও সঠিক ভাবে খাতা নিরীক্ষার পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে অধিদপ্তরে নম্বর পাঠানো হয়েছে। ট্যালেন্টপুল বা বৃত্তি তালিকা হয়ে থাকে অধিদপ্তরে। সেখানে কোন কারণে হয়তো তার নাম বাদ পড়েছে। তবে সংশোধনী আনার সুযোগ রয়েছে এখনও।

তিনি আরো জানান, ফলাফল পুন: সংশোধন ও ইসরাতকে বৃত্তির আওতায় আনতে তার অভিভাবক ২৫ মার্চ একটি লিখিত আবেদন করেছেন। আবেদনটি জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠানো হয়েছে। সংশোধন পূর্বক তাকে ট্যালেন্টপুলের তালিকা ভূক্ত ও একইসাথে বৃত্তির আওতায় আনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম মন্ডল জানান, ইসরাতের বৃত্তির ফলাফলে সংশোধনী আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাকে বৃত্তি আওতায় আনতে সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মো: মিজানুর রহমান।সংশ্লিষ্টরা জানান, ধামইরহাট উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে এবার পিএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩১ শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে ও ১০৪ জন সাধারন গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৬৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই