তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁ প্রেস ক্লাবে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন

নওগাঁ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন,দুই কৃষকের জমি দখলের অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ০৫ আগস্ট]
বগুড়ার আদমদিঘী উপজেলায় দুই দরিদ্র কৃষকের সরকারি বন্দোবস্ত পাওয়া জমি দখল করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। সোমবার নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন উপজেলার ছাতনী পূর্বপাড়া গ্রামের কৃষক সামিদুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কৃষক সামিদুল ইসলাম। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ১৯৯৫ সালে আদমদিঘী উপজেলার হালালিয়া হাট স্টেশন সংলগ্ন ৭৪ শতাংশ জমি তাঁর বাবা মৃত আফজাল হোসেন, চাচা মৃত ইসমাইল হোসেন ও মৃত রিয়াজ উদ্দিন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ বন্দোবস্ত (লিজ) পান। তারপর থেকে ওই জমির খাজনা পরিশোধ করে তাঁরা সেখানে চাষাবাদ ও মাছ চাষ করতেন। জমিটিতে বছরে ছয় মাস পানি জমে থাকায় সেখানে ছয় মাছ কৃষি চাষাবাদ ও ছয় মাস মাছ করা যায়। লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, জমিটির মূল বন্দোবস্তকারীরা মারা যাওয়ার পর ওয়ারিশ সূত্রে সামিদুল ও কামরুজ্জামান সেই জমি দখলে রেখে চাষাবাদ করে আসছিলেন। ২০১৪ সালে একই গ্রামের আব্দুল মান্নান নামে এক ব্যক্তির কাছে তাঁরা জমিটি ৫০ হাজার টাকায় বিনিময়ে দুই বছরের জন্য বর্গা দেন। ২০১৬ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত জমিটি ভোগদখল করার চুক্তি ছিল তাঁর সঙ্গে। চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর জমির দখল ছেড়ে দিতে বললে ওই বর্গাদার জমিটির দখল ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান এবং ওই জমি তাঁর নিজের বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও থানায় আমরা লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক টুলু থানার সহযোগিতায় ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে জমিটি বর্গাদার মান্নানকে জমিটি তাদের কাছে হস্তান্তর করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে তারা ওই জমির দখল বোঝে নেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জমিতে পানি থাকায় ৫০হাজার টাকার পোনা মাছ ছাড়েন সামিদুল ও কামরুজ্জামান। পোনা ছাড়ার কিছু দিন পর আব্দুল মান্নান সমস্ত মাছ নিধন করে জমিটি আবারও দখল করে নেই। এ বিষয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল মান্নান বলেন, জমিটির প্রকৃত মালিক আমি। তিন বছর আগে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমার নামে জমিটি পত্তন দিয়েছে। পত্তন পাওয়ার পর থেকে ওই জমিটি বৈধভাবে আমি ভোগদখল করছি। আর আমি ওই জমি কখনই তাদের কাছ থেকে বর্গা নেইনি।

আদমদিঘী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিবাদমান ওই জমি নিয়ে একবার থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। ওই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে জমির প্রকৃত মালিককে জমিটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এ বিষয়ে থানায় আর কোনো অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

মিডিয়া বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৯২৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই