তারিখ : ০২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

গফরগাঁওয়ে তকমীনা হত্য কান্ড,প্রেমিকের স্বীকাররোক্তি

গফরগাঁওয়ে তকমীনা হত্য কান্ড,প্রেমিক আশিকুলের স্বীকাররোক্তি
[ভালুকা ডট কম : ২৯ মার্চ]
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে যশরা ইউনিয়নের পাড়া ভরট গ্রামের তাকমীনাকে বিয়ের কথা বলে ডেকে এনে তিন বন্ধু মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ পর হত্যা করা হয়।এমকি হত্যর পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রেখে মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করে ঘতকরা।রোববার দুপুরে গোপন সংবাদে পৌর শহরের আক্তারুজ্জামান কিন্ডার গার্ডেন স্কুল সংলগ্ন একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকমীনার প্রেমিক মাদ্রাসা ছাত্র আশিকুলকে গ্রেফতার করে গফরগঁও থানা পুলিশ।

গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার চেীধুরীর জানান,গ্রেফতরের পর আশিকুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে প্রেমিকা তাকমীনাকে মোবাইলে ফোন করে ডেকে এনে দ্ইু বন্ধু মাহফুজ ওরফে ইছামুদ্দিন,আরিফকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।ধর্ষনের পর প্রেমিকা তাকমীনাকে হত্য করে তারা লাশ মসজিদের পাশে গাছে ঝুলিয়ে রাখে।লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখার পর ভোরে ফজরের নামাজের আযান দেয় মাহফুজ এবং ইমামতি করে আশিকুল।

থানা পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে,পার্শ্ববর্তী নান্দাইল উপজেলার তারাপাশা গ্রামের আইনাল হকে ছেলে  আঠারদানা জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন ও স্থানীয় জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম কওমী মাদ্রসার ছাত্র আশিকুল হকের সঙ্গে পাড়া ভরট গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে তাকমিনা প্রেমের সর্ম্পক ছিল।প্রেমের সর্ম্পক কারণে আশিকুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল তাকমীনা।তাকমীনাকে বিয়ে করতে রাজি ছিলনা আশিকুল।পূর্বপরিকল্পনা অনুয়ারী গত সোমবার (২৩মার্চ) রাত ৩টায় দিকে আশিকুল হক  পালিয়ে বিয়ে করার কথা বলে তাকমীনার মোবাইলে ফোন করে বাড়ি থেকে প্রায় ১০০গজ দূরে আঠারদানা মসজিদের কাছে ডেকে নেয়।সেখানে যাওয়া পর প্রথমেই তাকমীনাকে আশিকুল ধর্ষণ করে।এসময় পাশে ওৎ পেতে থাকা তারই দুই বন্ধু মাহফুজ ও আরিফ জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।ধর্ষণের পর প্রেমিক আশিকুল ও তার বন্ধুরা মিলে তাকমীনার হত,পা, মুখ চেপে ধরে মাথায় পাগড়ী দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে।পরে লাশ টেনে হেঁচড়ে মসজিদের পাশে গাছে ঝুলিয়ে রেখে তারা পালিয়ে যায়।ফজরে নামাজের সময় হলে মাহফুজ মসজিদে আজান দেয় এবং আশিকুল নামাজে ইমামতি করে।নামাজ শেষে মসজিদ থেকে মুসল্লীরা বের হয়ে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকমীনার লাশ দেখতে পায়।মাহফুজ ও আরিফ পাড়াভরট গ্রামের জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম কওমী মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের ছাত্র।এর আগে এঘটনার সাথে জড়িত  মাহফুজকে গত বৃহস্পতিবার গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার পর হত্যার রহস্য উদঘাটনের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার চৌধুরী (গফরগাঁও সার্কেল),ময়মনসিংহ সিআইডির ক্রাইমসিন প্রধান মোহাম্মদ ইউসুফ হোসেন এবং গফরগাঁও থানার ওসি অনুকূল সরকারের নেতৃত্বে পুলিশের মাঠে কাজ কওে আসছিলেন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অপরাধ জগত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২৬৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই